জামদানী শাড়ী

WELCOME TO BUNONN

The Touch of Tradition

A Real Jamdani Sarees & Tangail Sarees Online Store.

Jamdani Saree

টাঙ্গাইলের  শাড়ী।

দৃষ্টি নন্দন এই সুন্দর শাড়ীগুলো মনিপুরী মোটিফে করা হয়েছে। অত্যন্ত সুন্দর কালার কম্বিনেশনে নান্দনিক ডিজাইনে শৈল্পিকতার ছোঁয়া লেগেছে এই শাড়ীগুলোতে।

তরুণীদের পছন্দের তালিকায় এই এন্ড্রি আঁচলের শাড়ীগুলো থাকেই। শাড়ীগুলো দারুন সুন্দর কালারের ও আরাম দায়ক হয়ে থাকে।

জামদানী শাড়ী

যে শাড়ীর নকশায় প্রাণ পায় কারিগরদের শিল্পভাবনা। বাংলাদেশের সমৃদ্ধ ঐতিহ্যের উপাদান জামদানী বয়নশিল্প। ইউনেস্কো বিশ্ব ঐতিহ্যের স্বীকৃতি অর্জনের পর এটি এখন আর শুধু বয়নশিল্প নয়, দেশের সমৃদ্ধ সংস্কৃতি ও ঐতিহ্যের অংশ। জামদানী মূলত ইতিহাসখ্যাত ঢাকাই শাড়ী মসলিনেরই একটি প্রজাতি। জামদানী ঢাকা জেলার বিশেষ ঐতিহ্যবাহী লোকশিল্প। বাংলাদেশের ইতিহাস ও ঐতিহ্যের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হিসেবে জড়িয়ে রয়েছে জামদানী শিল্পের নাম। বাংলাদেশের অহংকার হিসেবে চিহ্নিত এ শিল্পের ভেতরের যে ঐশ্বর্য ছড়িয়ে আছে আমাদের ঐতিহ্যে, তার ধারক হয়ে আজও জনপ্রিয়তায় অনন্য হয়ে আছে জামদানি বয়ন শিল্প। জামদানীর প্রসারে যাদের সীমাহীন অবদান রয়েছে তারা বর্তমানে খুবই ম্রিয়মাণ। জামদানী শাড়ীর আগের সব বিখ্যাত ও অবিস্মরণীয় নকশা ও বুননের অনেকগুলোই বর্তমানে বিলুপ্ত প্রায়। নবীন কারিগররা অধিকাংশ নকশাই বুনতে জানেন না। জামদানী শাড়ীর মূল আকর্ষণ নকশা বা মোটিফ। এ নকশা সাধারণত কাগজে এঁকে নেয়া হয় না। জামদানীর শিল্পীরা নকশা আঁকেন সরাসরি তাঁতে বসানো সুতায় শাড়ীর বুননে বুননে। তারা এমন পারদর্শী যে, মন থেকে ভিন্ন ভিন্ন নকশা আঁকেন। পুরো জমিনে নকশা করা একটি শাড়ি তৈরি করতে ন্যূনতম সময় লাগে দুই মাস। জামদানী শাড়ীর দাম নির্ভর করে শাড়ির গাঁথুনি এবং সুতার কাউন্টের ওপর। যত বেশি কাউন্টের সুতা, শাড়ীর দামও তত বেশি। সেই সঙ্গে নকশা তোলার সুতার কাউন্টও হতে হবে কম এবং নকশাও হতে হবে ছোট ছোট। আগে সুতা ও রেশম ব্যবহৃত হলেও বর্তমানে জামদানীর বুননের সিল্ক, সুতির সুতা এবং নাইলন ব্যবহৃত হচ্ছে। জামদানী বুননের মূল শক্তিই হল সুতা।

কোভিড -১৯ ও আমাদের তাঁত শিল্প। আজ থেকে আগামী ছয় মাস কিংবা এক বছর অথবা দশ বছর পর পৃথিবীটা কেমন হবে? কেমন থাকবে পৃথিবীর মানুষগুলো? বিশ্বজুড়ে আকস্মিক করোনা মহামারির আগমনের পর মানুষের সব পরিকল্পনা, জীবনযাত্রা, ধ্যানধারণাতে ভর করেছে অনিশ্চয়তা। করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করতে হিমশিম খাচ্ছে প্রতিটা রাষ্ট্র এবং তার জনগণ। তার উপর আছে করোনা পরবর্তী বিশ্ব পরিস্থিতির ভয়াবহতার আশংকা। করোনা পরবর্তী পৃথিবীর ভবিষ্যৎ কি হতে যাচ্ছে-তা নির্ভর করছে অনেককিছুর উপর। করোনা পরবর্তী বিশ্ব অর্থনীতি নিয়ে দুশ্চিন্তা তার মধ্যে সবচেয়ে উপরে। সামাজিক পরিবর্তন যেকোনো সময় যেকোনো মাধ্যম থেকে আসতে পারে। আমাদের লক্ষ্য করতে হবে এই পরিবর্তন যেন মানুষের মূল্যবোধকে বাঁচিয়ে রেখে কল্যাণের প্রয়াসে হয়। এই মুহূর্তে আমাদের করনীয় কাজও হওয়া উচিত যার যার জায়গায় থেকে সেই মূল্যবোধকে পুঞ্জিভূত করা। অর্থনীতি শুধু পণ্য ক্রয় এবং বিপণনে সীমাবদ্ধ না। অর্থনীতির মূল বিষয় হল, সম্পদকে মানুষের বেঁচে থাকার প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারা। এই বেঁচে থাকার ধারণাতে পরিবর্তন আনার এখন সময় ঘনিয়ে এসেছে। এর প্রভাবে সবচেয়ে ক্ষতিগ্রস্থ হবে সেই সকল মানুষ, যারা পরিবারে অনেকে একসাথে কষ্ট করে বাস করে। এই বেকারত্ব এবং মুনাফা ঘাটতি সহসাই যাবার নয়। আবার এদের মাঝে আরেক শ্রেণীর বিপদ আরও বেশি যারা মধ্যম আয়ের কিন্তু মহামারির কালে কাজ হারাচ্ছে। কিন্তু সরকারের কিংবা বেসরকারি উদ্যোগেও যাদের কাছে সাহায্য পৌঁছাচ্ছেনা। কেননা, সাধারণ সময়ে তারা দরিদ্রের তালিকায় পড়েনা। করোনা পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আসতে না আসতেই আবার নতুন করে বন্যা পরিস্থিতি অবনতির কারণে তাঁতীরা এই মুহূর্তে হতাশা গ্রস্থ। আমার বাংলাদেশের বিভিন্ন অঞ্চলের তাতীদের সাথে কাজ কাজ করার সুযোগ হয়েছিল। এই অবস্থা থেকে উত্তরণের জন্য তাতীদের প্রতি শ্রদ্ধা ও দায়বদ্ধতা থেকে তাদের পাশে দাঁড়ানোর ক্ষুদ্র প্রয়াস বুননের এই আয়োজনে। আমি ছোট বেলা থেকেই বিভিন্ন ধরনের সামাজিক কর্মকাণ্ডের সাথে জড়িত ছিলাম এবং সুযোগ পেলেই মানুষের পাশে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছি। এই করোনা পরিস্থিতিতেও বিভিন্ন ভাবে করোনায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে থেকে সহযোগিতার চেষ্টা করছি। আমি এখনো আশাকরি আপনাদের সকলের সহযোগিতায় তাতীদের পাশে থেকে কাজ করে যেতে পারবো। যা কিনা তাদের জীবন যাপনের পথকে সুগম করে দিবে।

জামদানী
ঝর্না শাড়ী
ঝর্না শাড়ী
ঝর্না শাড়ী
ঝর্না শাড়ী
ঝর্না শাড়ী
ঝর্না শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী

টাঙ্গাইলের তাঁতের শাড়ী
জামদানী

#জামদানীর বৈশিষ্ট্য জানাটা জরুরী কেন ?

বাংলাদেশের যেসব নারী শাড়ী পছন্দ করেন, তাদের সংগ্রহে অন্তত একটি হলেও জামদানি শাড়ী থাকে। নান্দনিক ডিজাইন এবং দামে বেশি হওয়ার কারণে জামদানীর সঙ্গে আভিজাত্য এবং রুচিশীলতা – এই দুটি শব্দ জড়িয়ে আছে। ঐতিহ্যবাহী নকশা ও বুননের কারণে ২০১৬ সালে জামদানীকে বাংলাদেশের ভৌগোলিক নির্দেশক (জিআই) পণ্য হিসেবে স্বীকৃতি দেয় ইউনেস্কো। কিন্তু অভিযোগ রয়েছে আজকাল বিভিন্ন মার্কেটে জামদানীর নামে বিক্রি হচ্ছে নকল শাড়ী, ফলে ঐতিহ্যবাহী জামদানীর আবেদন থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন ক্রেতারা। অনেক বিক্রেতা জামদানী বলে ভারতীয় কটন, টাঙ্গাইলের তাঁত, পাবনা ও রাজশাহীর সিল্ক শাড়ী ক্রেতাদের হাতে তুলে দিচ্ছেন। প্রশ্ন হল আসল জামদানী শাড়ী চেনার উপায় তাহলে কী ? আসল জামদানী শাড়ী চেনার উপায়: জামদানী শাড়ী কেনার আগে তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিতে হবে – শাড়ীর দাম, সূতার মান এবং কাজের সূক্ষ্মতা। আসল জামদানী শাড়ী তাঁতিরা হাতে বুনন করেন বলে এগুলো তৈরি করা অনেক কষ্টসাধ্য ও সময়সাপেক্ষ। তাই এগুলোর দামও অন্যান্য শাড়ীর তুলনায় বেশি হয়ে থাকে। একটি জামদানী শাড়ী তৈরি করতে দুইজন কারিগর যদি প্রতিদিন ১২ থেকে ১৪ ঘণ্টা শ্রম দেন, তাহলে ডিজাইন ভেদে পুরো শাড়ী তৈরি হতে সাত দিন থেকে ছয় মাস পর্যন্ত সময় লাগতে পারে। সাধারণত জামদানী শাড়ি তৈরির সময়, সূতার মান ও কাজের সূক্ষ্মতা বিবেচনায় একটি জামদানীর দাম ৩,০০০ টাকা থেকে এক লাখ ৫০,০০০ টাকা কিংবা তারচেয়েও বেশি হতে পারে। কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়ীতে তেমন সময় বা শ্রম দিতে হয় না। এজন্য দামও তুলনামূলক অনেক কম। জামদানী শাড়ী হাতে বোনা হওয়ায়, শাড়ীর ডিজাইন হয় খুব সূক্ষ্ম এবং নিখুঁত। ডিজাইনগুলো হয় মসৃণ। কারিগর প্রতিটি সুতো হাত দিয়ে ঘুরিয়ে ঘুরিয়ে বুনন করেন। সুতার কোন অংশ বের হয়ে থাকে না। এ কারণে জামদানী শাড়ীর কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ, তা পার্থক্য করা বেশ কঠিন। জামদানী শাড়ীর কোনটা সামনের অংশ আর কোনটা ভেতরের অংশ সেটা পার্থক্য করা বেশ কঠিন। মেশিনে বোনা শাড়ীতে কেবল জামদানীর অনুকরণে হুবহু নকশা সেঁটে দেয়া হয়। এই শাড়ীগুলোর উল্টো পিঠের সূতাগুলো কাটা কাটা অবস্থায় বের হয়ে থাকে। জামদানী শাড়ী চেনার আরেকটি উপায় হতে পারে এর সূতা ও মসৃণতা যাচাই করা। জামদানী শাড়ী বয়নে সুতি ও সিল্ক সূতা ব্যবহার করা হয়ে থাকে। সূতার ব্যবহারের দিক থেকে জামদানী সাধারণ তিন ধরণের হয়ে থাকে।

১. ফুল কটন জামদানী – যেটা তুলার সূতা দিয়ে তৈরি করা হয়।

২. হাফ-সিল্ক জামদানী – যেখানে আড়াআড়ি সুতাগুলো হয় রেশমের আর লম্বালম্বি সূতাগুলো হয় তুলার।

৩. ফুল-সিল্ক জামদানী – যেখানে দুই প্রান্তের সূতাই রেশমের হয়ে থাকে। শাড়ী কেনার আগে এই সূতা সম্পর্কে নিশ্চিত হওয়া জরুরি, কেননা নকল জামদানী শাড়ী সিল্কের পরিবর্তে পলেস্টার বা নাইলনের মতো কৃত্রিম সূতা ব্যবহার করে থাকে। সূতার মান যাচাই করতে শাড়ীর আঁচলের শেষ প্রান্তে যে কিছু সুতা বের হয়ে থাকে, সেগুলো মনোযোগ দিয়ে দেখতে হবে। নাইলনের সূতা মসৃণ হয়, আর জামদানীর সিল্ক সূতায় মাড় দেয়া থাকায় সেটা হবে অপেক্ষাকৃত অমসৃণ। সাধারণ পিওর সিল্কের সূতা টানাটানি করলে ছিঁড়ে যায় এবং এই সূতা আগুনে পোড়ালে চুলের মতো পোড়া গন্ধ বেরোয়। জামদানীর সুতায় মাড় দেয়া থাকে। ছবির ক্যাপশান, জামদানীর সূতায় মাড় দেয়া থাকে আঁচলের শেষ প্রান্তের সূতাগুলো আঙ্গুল দিয়ে মোড়ানোর পর যদি সুতাগুলো জড়িয়ে যায়, তবে সেটা সিল্ক সূতার তৈরি আর যদি সূতাগুলো যেকোনো অবস্থায় সমান থাকে, তবে তা নাইলন। এছাড়া কাউন্ট দিয়ে সূতার মান বোঝানো হয়। যে সুতার কাউন্ট যত বেশি, সেই সুতা তত চিকন। আর সূতা যতো চিকন, কাজ ততই সূক্ষ্ম হবে – যা ভাল মানের জামদানী শাড়ীর প্রধান বৈশিষ্ট্য। জামদানী শাড়ীর সূতাগুলো সাধারণত ৩২-২৫০ কাউন্টের হয়ে থাকে। জামদানীর মান মূলত কাজের এই সূক্ষ্মতার উপর নির্ভর করে। আর শাড়ী কতোটা সূক্ষ্ম হবে, তা নির্ভর করে এই সূতা এবং তাঁতির দক্ষতার উপর। সাধারণত যে শাড়ীটা কাজ যতো সূক্ষ্ম, স্বাভাবিকভাবেই তার দামও ততো বেশি হয়ে থাকে। আবার সুতা যত চিকন, শাড়ী বুনতে সময়ও লাগে তত বেশি – কাজেই দামও বেশি পড়ে। অন্যদিকে মেশিনে বোনা শাড়ীর সুতা ২৪-৪০ কাউন্টের হয়ে থাকে। তবে মেশিনে বোনা শাড়ীগুলোর বুনন অনেক ঘন হয়। তাঁতে আর যাই হোক মেশিনের মতো ঘন বুনন দেয়া সম্ভব না। জামদানী শাড়ীতে যে অংশটুকু কোমরে গুঁজে রাখা হয়, ওই অংশটায় অর্থাৎ সাড়ে পাঁচ হাত পর্যন্ত কোন পাড় বোনা থাকে না। কিন্তু মেশিনে বোনা শাড়ির পুরো অংশ জুড়েই পাড় থাকে। হাতে বোনা জামদানী ওজনে হালকা হয়ে থাকে এবং পরতেও আরামদায়ক। তবে জামদানী খুব যত্ন করে রাখতে হয়, না হলে বেশিদিন টেকসই হয় না। অন্যদিকে কোনও রকম হাতের ছোঁয়া ছাড়া, জামদানীর ডিজাইন নকল করা, মেশিনে বোনা শাড়ী কৃত্রিম সুতোয় তৈরি হয় বলে এই শাড়ীগুলো হয় ভারি এবং খসখসে। তবে এই শাড়ীগুলো বছর বছর ধরে পরা যায়। জামদানী শাড়ী তৈরিতে দীর্ঘ সময় ও কঠোর শ্রমের কারণে জামদানীর দাম তাই অন্যান্য শাড়ীর তুলনায় বেশি পড়ে। জামদানীর প্রধান বৈশিষ্ট্য এর জ্যামিতিক নকশা। এই জ্যামিতিক নকশায় ফুটিয়ে তোলা হয় নানা ধরণের ফুল, লতাপাতা, কলকাসহ নানা ডিজাইন। জামদানীর ডিজাইন বিভিন্ন ধরণের হয়ে থাকে। তারমধ্যে পান্না হাজার, তেরছা, পানসি, ময়ূরপঙ্খী, বটপাতা, করলা, জাল, বুটিদার, জলপাড়, দুবলি, ডুরিয়া, বলিহার, কটিহার, কলকাপাড় ইত্যাদি বেশি প্রচলিত। জামদানীতে ছোট ছোট ফুল বা লতাপাতার ডিজাইন যদি তেরছা ভাবে সারিবদ্ধ থাকে, তাহলে তাকে তেরছা জামদানি বলে। ফুল, লতার বুটি জাল বুননের মতো সমস্ত জমিনে থাকলে তাকে জালার নকশা বলা হয়। পুরো জমিনে সারিবদ্ধ ফুলকাটা জামদানী ফুলওয়ার নামে পরিচিত। ডুরিয়া জামদানী ডোরাকাটা নকশায় সাজানো থাকে। তেমনি পাড়ে কলকির নকশা থাকলে তা হবে কলকাপাড়।

[button target=”_self” hover_type=”default” icon_size=”fa-lg” text=”See More” link=”#”]

OUR RECENT COLLECTION.

[portfolio_slider order_by=”date” order=”DESC” lightbox=”yes”]

জামদানী

“আজ বুবুর গায়ে হলুদ, কাল বুবুর বিয়ে।
বর আসবে পালকি চড়ে, পাগড়ি মাথায়ে দিয়ে।”
[button target=”_self” hover_type=”default” icon_size=”fa-lg” text=”SEE MORE” link=”#”]
জামদানী

Our YouTube Channel

[qode_carousel carousel=”home-carousel-mini” number_of_visible_items=”” control_style=”light”]

Leave a Comment

Your email address will not be published.